মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বাড়াদী ইউনিয়নের ইতিহাস

পূর্বে বাড়াদী ইউনিয়নের সকল গ্রামে প্রভাবশালী হিন্দুদের বসবাস ছিল। বাড়াদী ইউনিয়নের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। তিনি বাড়াদী ইউনিয়নের বাড়াদী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বাড়াদী গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় ইউনিয়নের নাম বাড়াদী ইউনিয়ন নামকরণ করেন। বাড়াদী গ্রামের সাথে মিলিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ করলেও বাড়াদী গ্রামের বাসিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের জন্য জমি দান করতে রাজি হননা। বাড়াদী ইউনিয়ন ১৩ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। পরে বাড়াদী ইউনিয়নের আঠারখাদা গ্রামের কিছু আলোচিত ব্যক্তিবর্গ ইউনিয়ন পরিষদের জন্য জমি দান করে। এর পর থেকে আঠারখাদা গ্রামে বাড়াদী ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা লাভ করে।এখন বাড়াদী গ্রামের মানুষেরা ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্ব সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। তারা এখন ইউনিয়ন পরিষদ বাড়াদী গ্রামে নেওয়ার জন্য আঠারখাদা গ্রামের সাথে মামলা পরিচালনা করছে। গত ২০১৪ সালের  মে মাসে ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে মামলার রায় হয় আঠারখাদা গ্রামের পক্ষে। পরে জানা যায় বাড়াদী গ্রামের বাসিন্দারা আবার আপীল করবেন।

 

গরু কোরবাণীর ইতিহাস

 

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪নং বাড়াদী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোপালনগর গ্রামের মৃত বাবুল উল্ল্যা (বাবুল) এর পুত্র মৃত গোপাল বিশ্বাস, ১৩৩৫ বাংলা সালে ১ টি গরু কোরবাণী দেয়, গরু কোরবাণী করায় তখনকার হিন্দুরা একজোট হয়ে নদীয়া জেলার থানায় গোপাল বিশ্বাসের নামে মামলা করে। উক্ত মামলায় গোপাল বিশ্বাস খালাস পায়, তবে শর্ত থাকে, পরবর্তীতে জঙ্গলের ভিতরে রাত্রীতে গরু কোরবাণী দিতে হবে এবং গভীর রাতে রান্না করতে হবে। তারপরে ও গোপাল বিশ্বাস দিনে গরু কোরবাণী করতেন। অত্যান্ত সাহসী ছিলেন, গোপাল বিশ্বাস।

গোপাল বিশ্বাস মৃত্যুবরণ করেন ১৩৭৯ বাংলা সনে। ঐ সময় গোপালনগর গ্রামে ৫ ঘর মুসলমান বসবাস করতেন। (১) বাবুল উল্ল্যা (২) ভিকু মন্ডল (৩) লাল চাঁন মন্ডল (৪) ভোলাই মন্ডল (৫) আনন্দ মন্ডল।শোনা যায় গোপাল বিশ্বাসের নামের সাথে মিল করে ঐ গ্রামের নামকরণ করা হয় গোপালনগর। গোপালনগর গ্রামের পূর্ব নাম ছিল চরবাড়াদী।

 

আঠারখাদা (ফতেপুর) গ্রামে সাইক্লোনের ইতিহাস

 

১৩৫৯ বাংলা সনে ২৯শে ফালগুন, রোজ শনিবার দিনগত সন্ধায় ( মাগরিবের নামাজের সময়) সাইক্লোনটি হয়। সাইক্লোনটি ১৫ মিনিট স্থায়ী ছিল। ঐসময় অনুপনগর গ্রামের তুষ্টু মন্ডল নামে একজন ব্যক্তি ঝড়ে যায় এবং দুইটি হাত ও পা ভেঙ্গে যায়, তবে জীবনে বেঁচে যায়। হাত পা ভাঙ্গা অবস্থায়,দীর্ঘ ৭৫ বছর যাবৎ জীবিত থাকে।উক্ত সাইক্লোনে অনুপনগর গ্রামের মৃত খেলাফত শরীফের দুইটা মেয়ের শরীরে আগুন ধরে গেলে দুইটা মেয়ে পরস্পর জোড়া লেগে যায় এবং পুড়ে মারা যায়। আঠারখাদা মৃত শাহাজানের ১ মাত্র পুত্র মোঃ জামাত আলী, তখন বয়স, ১+ বছর। ঐ সাইক্লোনে তার পিতা মাতা মারা যায় এবং উক্ত জামাত আলী ঝড়ে উড়ে যায় এবং জামাত আলী জীবিত থাকে। বর্তমানে উনি জীবিত আছে এবং বিএ পাশ করে। তাছাড়া উক্ত সাইক্লোন ১৩ জন লোক মারা যায়।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter